১.৩ মিলিয়ন ডলারে বিক্রি হয়েছে শক্তিশালী সব ম্যালওয়্যারে ভর্তি ল্যাপটপটি

লাইভস্ট্রিমে ল্যাপটপটিকে আর দেখা যাচ্ছে না
পারসিসটেন্ট অফ কেওস। ছবিঃ গুয়ো ও ডং / ডিপ ইন্সটিংক্ট

শক্তিশালী ৬ টি ম্যালওয়্যার দিয়ে ভর্তি ২০০৮ সালের নেটবুকটি অবশেষে বিক্রি হয়েছে। অনলাইন নিলামে এর দাম শেষ পর্যন্ত গিয়ে ঠেকেছে ১.৩৪৫ মিলিয়ন ডলারে। “পারসিসটেন্স অফ কেওস” নামের স্যামসাং NC10 নেটবুকটিতে রয়েছে আইলাভইউ, মাইডুম, সোবিগ, ওয়ানাক্রাই, ডার্কটেকিলা ও ব্ল্যাকএনার্জি ম্যালওয়্যার। সব মিলিয়ে এসব ম্যালওয়্যার মোট ৯৫ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি করেছে।

আইলাভইউ ভাইরাস ছড়িয়েছিল ইমেইল ও ফাইল শেয়ারিং এর মাধ্যমে। পৃথিবীব্যাপী পাঁচ লাখ কম্পিউটার এটি দ্বারা আক্রান্ত হয়। সব মিলিয়ে আইলাভইউ ক্ষতি করে ১৫ বিলিয়ন ডলার। মাইডুম রাশিয়ান ইমেইল স্প্যামারদের দ্বারা ছড়ানো ভাইরাস, যেটির কারণে মোট ৩৮ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি হয়। ওয়ানাক্রাই পৃথিবীব্যাপী ১৫০ টি দেশে ২ লাখেরও বেশি কম্পিউটারে আঘাত করেছিল। মোট ৪ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি হয় ওয়ানাক্রাইয়ের জন্য।

মজার ব্যাপার হচ্ছে এই ল্যাপটপটি কোন ভয়ংকর অস্ত্র নয়, বরং আর্ট পিস হিসেবে বিক্রি হয়েছে। “পারসিসটেন্স অফ কেওস” তৈরি করেছে শিল্পী গুও ও ডং। তাকে সহযোগিতা করেছে সাইবার সিকিউরিটি ফার্ম Deep Instinct। গুও ও ডং ভার্জের সাথে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছে অনলাইন থ্রেটকে বাস্তব রূপ দিতেই তৈরি করা হয়েছে এটিকে।

বিক্রির আগে এটাকে আলাদা করে এয়ার গ্যাপ করে রাখা হয়েছিল। এয়ার গ্যাপ অবস্থায় এটি ক্ষতিকর নয়। ওয়াই-ফাই/ব্রডব্যান্ড কিংবা ইউএসবি কানেক্ট করলেই এটি আবার ক্ষতিকর হয়ে উঠবে।

নিলামের জন্য খোলা ওয়েবসাইটটিতে শুরু থেকেই লাইভস্ট্রিম করা হচ্ছিল ল্যাপটপটির বর্তমান অবস্থা। তবে বিক্রি হয়ে যাওয়ায় ল্যাপটপটিকে এখন আর লাইভস্ট্রিমে দেখা যাচ্ছেনা। এর বদলে সেখানে লেখা রয়েছে “সোল্ড”।

সোর্সঃ দ্যাপারসিসটেন্সঅফকেওস



আপনার মন্তব্য

মন্তব্য করার পূর্বে মনে রাখুন এডিটোরিয়াল টিম সাইটে কমেন্ট মডারেশন করছে। কোন ধরনের মন্তব্য করা যাবেনা তা জানতে মন্তব্যের নীতিমালা দেখুন। আপনার ইমেইল অ্যাড্রেস প্রকাশ করা হবেনা।