বাতাসের গতিবিধি পরিমাপের জন্য লঞ্চ করা হলো অ্যালাস স্যাটালাইট

মিশন অ্যালাস
ভেগা রকেটে অ্যালাস স্যাটালাইট। ছবিঃ ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি

এবার লঞ্চ করা হলো এমন একটি স্যাটালাইট যা পুরো পৃথিবীজুড়ে বাতাসের গতিবিধি পরিমাপ করবে। ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির তৈরি করা এই স্যাটালাইটের নাম “অ্যালাস”। বুধবার ২২ আগস্ট ফ্রেঞ্চ গিয়ানার স্পেস সেন্টার থেকে অ্যারিয়েনস্পেস ভেগা রকেটে উৎক্ষেপণ করা হয় স্যাটালাইটটিকে।

হোমারের অডেসিতে বর্ণিত গ্রীক বাতাসের দেবতা অ্যালাসের নামানুসারে স্যাটালাইটটির নাম রাখা হয়েছে। অফিশিয়ালি এর পুরো নাম অ্যাটমোসফেরিক ডাইনামিক্স মিশন অ্যালাস।

ভেগা রকেটের প্রথম তিন বুস্টার সাধারণভাবেই ইগনিশন করে রকেটটিকে ধাপে ধাপে মহাকাশে নিয়ে যায়। এক এক করে বুস্টারগুলো আলাদা হয়ে আটলান্টিক মহাসাগরে পতিত হয়। এক ঘন্টা পর রকেটের চতুর্থ বুস্টার থেকে আলাদা হয় অ্যালাস।

পৃথিবীব্যাপী বাতাসের গতিবিধির প্রোফাইল তৈরি করা এই মিশনের মূল উদ্দেশ্য। এতদিন যাবৎ ক্লাইমেট মডেল ও ওয়েদার প্রেডিকশনের জন্য পুরো পৃথিবীর সরাসরি কোন প্রোফাইল ছিলনা। ওয়ার্ল্ড মিটিওরোলজিকাল অর্গানাইজেশনের তৈরি করা গ্লোবাল অবজার্ভিং সিস্টেমে এধরনের তথ্য না থাকার বিষয়টি সামনে রেখে সাজানো হয় মিশনটি।

স্পেসে অ্যালাস স্যাটালাইট
স্পেসে অ্যালাস স্যাটালাইট। ছবিঃ ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি

স্যাটালাইটটি ভূপৃষ্ঠ থেকে স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার (৩০ কিলোমিটার অলটিচ্যুড বা উচ্চতা) পর্যন্ত বাতাসের গতিবিধির তথ্য নিবে। এটি পৃথিবীর প্রথম স্যাটালাইট যা পৃথিবীতে বায়ুপ্রবাহ কি করছে তা পর্যবেক্ষণ করতে পারে।

১৯৯৯ সালে অনুমোদন পাওয়ার পর অ্যালাস মিশন ২০০৭ সালে পরিচালনা করার জন্য তৈরি করা হয়। কিন্তু বিভিন্ন টেকনিকাল সমস্যার কারণে এই সময় ১১ বছর পিছিয়ে যায়। অ্যালাস স্যাটালাইটটি তৈরি করেছে এয়ারবাস ডিফেন্স অ্যান্ড স্পেস। স্যাটালাইটটি তৈরি করতে খরচ হয়েছে প্রায় ৫৬০ মিলিয়ন ডলার।

সোর্সঃ স্পেস ডট কম



আপনার মন্তব্য

মন্তব্য করার পূর্বে মনে রাখুন এডিটোরিয়াল টিম সাইটে কমেন্ট মডারেশন করছে। কোন ধরনের মন্তব্য করা যাবেনা তা জানতে মন্তব্যের নীতিমালা দেখুন। আপনার ইমেইল অ্যাড্রেস প্রকাশ করা হবেনা।